প্রতিদিন ফ্রি বিট কয়েন আয় করুন!!

What is bitcoin used for? Today we will talking about what is bitcoin and what is used for. Bitcoin is the first of a new asset class. Learn about....
Please wait 0 seconds...
Scroll Down and click on Go to Link for destination
Congrats! Link is Generated

প্রথমে জেনে নিই বিট কয়েন কি?

বিটকয়েন হল ওপেন সোর্স ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রোটকলের মাধ্যমে লেনদেন হওয়া সাংকেতিক মুদ্রা। বিটকয়েন লেনদেনের জন্য কোন ধরনের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান, নিয়ন্ত্রনকারী প্রতিষ্ঠান বা নিকাশ ঘরের প্রয়োজন হয় না। ২০০৮ সালে সাতোশি নাকামোতো এই মুদ্রাব্যবস্থার প্রচলন করেন। বিটকয়েনের লেনদেন হয় পিয়ার টু পিয়ার বা গ্রাহক থেকে গ্রাহকের কম্পিউটারে বা মোবাইলে। বিটকয়েনের সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় অনলাইনে একটি উন্মুক্ত সোর্স সফটওয়্যারের মাধ্যমে অথবা কোন ওয়েব সাইটের মাধ্যমে। বর্তমানে ১টি বিটকয়েনের মূল্য প্রায় ২৯,১৪২.৯০ ডলার, প্রায় ৩ মাস পূর্বে ছিল ২৭,৫১৮.৬০ ডলার। অনেকটা শেয়ার বাজারের মতই এর দাম উঠানামা করে, যাহা অনেকেই প্রতিনিয়ত আপডেট দেখে বুঝতে পেরেছেন।

Bitcoin কি ? বিটকয়েন কিভাবে কাজ করে

বর্তমান সময়ে, বিটকয়েন অনেক বেশি জনপ্রিয় ও প্রচলিত একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবং, প্রায় অনেক সংখক লোকেরা বিটকয়েন এর বিষয়ে জেনে নিতে চাচ্ছেন। আর তাই, বিটকয়েন কাকে বলে, বিটকয়েন কিভাবে কাজ করে, কিভাবে বিটকয়েন কেনা বেচা করতে পারবেন এবং শেষে “কিভাবে বিটকয়েন একাউন্ট খুলবো” এগুলি নিয়ে আজ আমি কথা বলবো। Internet এর ব্যবহারের ফলে, আজ মানব জীবন প্রচুর উন্নত হওয়ার সাথে সাথে digital technology গুলিকে সহজেই অবলম্বন করে নিতে পারছেন। যেকোনো ধরণের তথ্য গ্রহণ করার সুবিধের সাথে সাথে, “online shopping”, “hotel booking”, “car বা cab booking, “train & flight ticket booking” এবং আরো হাজার রকমের কাজ আমরা ঘরে বসেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে করে নিতে পারছি। তাছাড়া, ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনলাইন টাকা আয় করতে পাড়ার বিষয়টির সাথে তো আপনারা সবাই পরিচিত। তবে, অনলাইন ইন্টারনেট থেকে টাকা আয় করার নিয়ম বা উপায় গুলি নিয়ে আমি আমার এই ওয়েবসাইটে প্রচুর আর্টিকেল লিখেছি। এই উপায় এবং নিয়ম গুলির মধ্যে “blogging এবং “YouTube channel” সেরা। তাছাড়া, বর্তমানে bitcoin থেকেও টাকা আয় করার কিন্তু প্রচুর সুযোগ রয়েছে। আপনাদের মধ্যে হয়তো অনেকেই, বিটকয়েন (bitcoin) কি বা বিটকয়েন এর বিষয়ে অবশই শুনেছেন। তবে, যারা এখনো বিটকয়েন এর ব্যাপারে এখনো কিছুই জানেনা, তাদের জন্যই আজকের এই আর্টিকেল আমি লিখেছি।

 এই আর্টিকেলটিতে আমি আপনাদের একেবারে স্পষ্ট করে বুঝিয়ে বলবো যে, “বিটকয়েন কি(What is bitcoin in Bangla).

বিটকয়েন কি ? ( Bitcoin meaning in Bengali )

Bitcoin হলো এমন একটি “virtual currency (মুদ্রা) যেটা জেকেও কেবল digitally ব্যবহার করতে পারবেন। যেভাবে অন্যান্য মুদ্রা যেমন, ডলার (dollar), রুপি (rupees) ইত্যাদি রয়েছে, ঠিক সেভাবেই বিটকয়েন (bitcoin) ও হলো এক ধরণের মুদ্রা (currency). এবং, এই ধরণের ভার্চুয়াল মুদ্রা গুলিকে আমরা হাতে ধরে অনুভব করতে পারিনা তাছাড়া চোখে দেখতেও পারিনা। তাই, বিটকয়েন কে “digital currency” বলেও বলা হয়। তবে, ইলেকট্রনিক মুদ্রা (electronic money) বলেও বলা যেতে পারে। বিটকয়েন এমন এক ধরণের মুদ্রা, যেটাকে কেবল, অনলাইনে ডিজিটালি কেনা এবং বেচা যেতে পারে। এই ধরণের digital currency বা electronic money ব্যবহার করে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনলাইন লেনদেন (online transaction) করতে পারবেন। Bitcoin, কেবল online wallet গুলিতে জমা করে রাখা যেতে পারে। তাছাড়া, যেকোনো online bitcoin transaction করার ক্ষেত্রে, এই wallet app বা website গুলি ব্যবহার করতে হবে। কারণ আমি আগেই বলেছি, “বিটকয়েন হাতে ধরে দেখতেও পারবেননা এবং একে চোখে দেখাটাও সম্ভব না”. এই ধরণের cryptocurrency কেবল, সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশ করা যেতে পারে। যেভাবে, প্রত্যেক দেশ বিদেশে ১ ডলারের মান ( 1 dollar value ) আলাদা আলাদা, ঠিক সেভাবেই, ১ বিটকয়েনের মান ( 1 bitcoin value ), আলাদা আলাদা দেশে আলাদা আলাদা হবে। এখন হয়তো আপনার মনে একটি সাধারণ প্রশ্ন অবশই আসছে। “১ বিটকয়েন সমান কত টাকা” তাই তো ? তাহলে, এর উত্তর আলাদা আলাদা দেশ এর ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা হবে।

 

১ বিটকয়েন 2,392,672.90 ভারতীয় টাকার সমান”।

এবং, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে,

১ বিটকয়েন সমান 3,167,348.93 Bangladeshi Taka”.

তবে মনে রাখবেন, ১ bitcoin এর এই মান (value) প্রত্যেক দিন ওপর নিচ হতেই থাকে। তাই, জরুরি না যে আমি যেই সংখ্যা দিয়েছে, চিরকাল সেটাই থাকতে হবে। কালকেই হয়তো, এর থেকে দুগুণ বেশি বা কম হয়ে যেতে পারে। হে, কিছুটা শেয়ার মার্কেট (share market) এর মতোই লাগছে, তাই তো। তবে, শেয়ার মার্কেটের সাথে বিটকয়েন এর কোনো যোগসূত্র (link) নেই। সোজা ভাবে, বিটকয়েন কাকে বলে ? বিটকয়েন মানে হলো, এক decentralized virtual currency. এর মানে হলো, এ এমন এক ধরণের মুদ্রা (currency), যেটাকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কোনো ধরণের bank, authorities বা government নেই। সোজা ভাবে বললে, bitcoin এর কোনো মালিক নেই। যেভাবে, ইন্টারনেটের কোনো মালিক নেই কিন্তু আমরা সবাই এর ব্যবহার করে লাভ নিচ্ছি, ঠিক সেভাবেই, বিটকয়েন এর কোনো মালিক নেই তবে জেকেও ডিজিটালি (digitally) এই মুদ্রার ব্যবহার করতে পারবেন। তাহলে আশা করছি, “বিটকয়েন মানে কি(bitcoin meaning in Bengali) বেপারটা আপনারা বুঝতে পারলেন। বিটকয়েন কে আবিষ্কার করেছেন ? ২০০৯ সালে, “Satoshi Nakamato” নামের একজন ব্যাক্তি বিটকয়েনের আবিষ্কার করেছিলেন। তবে, সেই সময় বিটকয়েন এর জনপ্রিয়তা ও লোকপ্রিয়তা আজকের সময়ের মতো কখনোই ছিলোনা। Wikipedia.org ওয়েবসাইটের মতে, যখন ২০০৯ সালে বিটকয়েন আবিষ্কার করা হয়েছিল, তখন ২০০৯ থেকে ২০১০ এর ভেতরে, ১ বিটকয়েন এর মান (value) প্রায় কিছুই ছিলোনা। তবে, ২০১০ সালের মার্চ মাসে, ১ বিটকয়েন সমান $0.003 এবং জুলাই মাসে $0.008–$0.08 ভেতরে থাকে। তারপর, ২০১২ সালের পর প্রায় ২০১৩ সালের থেকে,  ১ বিটকয়েনের মান তীব্র গতিতে বৃদ্ধি পায়।

আপনারা চাইলে wikipedia ওয়েবসাইটের history of bitcoin পাতাতে গিয়ে সম্পূর্ণটা দেখে নিতে পারবেন। তারপর, গিয়ে গিয়ে, ২০২০ সালের আজকের দিনে ১ বিটকয়েনের মান কয়েক লক্ষ টাকা (গুগলের হিসেবে)তাই ভাবুন, যদি আপনি বিটকয়েন চালু হওয়ার প্রথম ২ থেকে ৩ বছরের ভেতরে কিছুটা কিনে রাখতেন, তাহলে আজ ১০০ বা ২০০ টাকার বদলে কয়েক লক্ষ টাকার মালিক হয়ে দাঁড়াতেন। তবে, আমি জানলে আমিও অবশই কিনেই রাখতাম। এবং, এভাবেই বিটকয়েনের মাধ্যমে প্রচুর লোকেরা টাকা আয় করছেন। কিন্তু, কপাল এবং সুযোগ বলেও কিছু কথা রয়েছে যেটা সবাইর ক্ষেত্রে দেখা দেয়না।

বিটকয়েন কিভাবে কাজ করে ?

দেখুন, বিটকয়েন কিভাবে কাজ করে, এই প্রশ্নটি বেশি জটিল ভাবে নিয়ে কোনো লাভ নেই। চলুন, আমরা সহজ ভাষায় জেনেনেই যে, বিটকয়েন কাজ কিভাবে করে। আমি আগেই বলেছি যে, বিটকয়েন হলো এক রকমের ইলেক্ট্রনিক মুদ্রা বা ডিজিটাল মুদ্রার। এবং, এই ধরণের মুদ্রা ব্যবহার, আদান প্রদান বা কেনা বেচার জন্য, ইন্টারনেটের প্রয়োজন।

 

উদাহরণ স্বরূপে,

আজকাল অনেক ধরণের online wallet apps রয়েছে, যেমন paytm“, “freecharge ইত্যাদি। যেভাবে, টাকা হাথে না ধরে বা চোখে না দেখেই এই wallet app গুলি ব্যবহার করে, আমরা নিজের app থেকে অন্যের wallet app এ টাকা ডিজিটালি ট্রান্সফার করে দিতে পারি, ঠিক সেভাবেই, বিটকয়েন ও এমনি একটি virtual money র প্রকার, যেটা না কোনোদিন হাথে ধরে দেখতে পারবেন আর না চোখে দেখতে পারবেন। এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া ইন্টারনেটের মাধ্যমে virtually বা digitally সম্পন্ন করা হয়। তবে, বিটকয়েন কেনা বেচা বা আদান প্রদান করার জন্য আপনার যেকোনো একটি “বিটকয়েন এপস (apps) বা “ওয়েবসাইট” ব্যবহার করতে হবে। ওয়েবসাইট বা এপস টির মাধ্যমেই, আপনার কাছে থাকা bitcoin এর সাংখ্যিক মান বা পরিমান দেখতে পারবেন। এবং, বিটকয়েনের এই ওয়েবসাইট বা এপস গুলির মাধ্যমেই আপনি প্রয়োজন হিসেবে বিটকয়েন কিনে নিতে ও বিক্রি করতে পারবেন। সাধারনে, লোকেরা বিটকয়েন তখন কিনে রাখেন, যখন মার্কেটে এর চাহিদা (demand) কমে আসে। কারণ, যখন মার্কেটে এর চাহিদা কম থাকবে, তখন প্রত্যেক bitcoin এর value বা দাম কোমে যাবে। তাই, কম টাকা খরচ করে অধিক bitcoin কিনে নিতে পারবেন। আবার, যখন bitcoin এর চাহিদা মার্কেটে আবার বেড়ে আসবে, তখন এর দাম বেশি থাকবে। এবং, এটাই সেই সময় যখন কম দামে কেনা বিটকয়েন আপনি আবার বিক্রি করে, অধিক লাভ বা টাকা আয় করে নিতে পারবেন। আপনার কেনা বিটকয়েন এর দাম বা মান বর্তমানে কত হয়েছে, সেই বেপারেও আপনি apps বা website গুলির মাধ্যমে জেনেযাবেন।

কিভাবে বিটকয়েন আয় করা যায় ?

বিটকয়েন আয় করার মূলত তিনটি প্রধান উপায় বা মাধ্যম রয়েছে।

 

প্রথম এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায় হলো,

টাকা খরচ করে বিটকয়েন কেনা. যদি আপনার কাছে টাকা রয়েছে তাহলে টাকার বিনিময়ে একটি সম্পূর্ণ বিটকয়েন কিনে নিতে পারবেন। তবে বর্তমানে, সম্পূর্ণ একটি বিটকয়েন কেনার জন্য আপনার 7251 ডলার খরচ করতে হবে।  তাছাড়া, আপনি চাইলে বিটকয়েনের ছোট ছোট অংশ বা ইউনিট (units) কিনে নিতে পারবেন।  যেমন ১ টাকায় ১০০ পয়সা, ঠিক সেভাবে একটি বিটকয়েনে অনেক ছোট ছোট ইউনিট (unit) রয়েছে যেগুলোকে satoshi বলা হয়। ১ টি বিটকয়েনে ১০ কোটি সাতোশি (satoshi) থাকে। এবং, আপনারা অনেক কম টাকা খরচ করে এই ছোট satoshi গুলি কিনে নিতে পারবেন। আপনি চাইলে ১০০ টাকা, ২০০ টাকা, ১ হাজার টাকা বা ১০,০০০ টাকার সাতোশি বা ছোট ছোট বিটকয়েন ইউনিট কিনে নিতে পারবেন। এবং ভবিষ্যতে, যখন আপনার কেনা বিটকয়েনের মান বা ভেলু অধিক হয়ে যাবে, তখন আপনি আপনার বিটকয়েন গুলি বিক্রি করে অধিক টাকা ও লাভ আয় করে নিতে পারবেন।

 

দ্বিতীয় মাধ্যমটি হল,

যদি আপনি কোন পণ্য অনলাইনে বিক্রি করছেন তাহলে তার বিনিময়ে কাস্টমার থেকে বিটকয়েন নিয়ে নিতে পারবেন। এভাবে, আপনার পন্য (product) বিক্রিও হয়ে গেলো এবং তার বিনিময়ে কিছু পরিমাণে বিটকয়েন আয় করে নিতে পারবেন। এভাবে নিয়ে নেওয়া বিটকয়েন আপনার বিটকয়েন ওয়ালেট একাউন্টে জমা হয়ে থাকবে। তাছাড়া, আপনি চাইলে ভবিষ্যতে সেই বিটকয়েনের সংখ্যা গুলি অধিক লাভ দেখে বিক্রি করতে পারবেন বা কেনা বেচার ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারবেন।

 

বিটকয়েন আয় করার তৃতীয় উপায়,

বিটকয়েন আয় করার তৃতীয় এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায় হলো, বিটকয়েন মাইনিং (bitcoin mining). বিটকয়েন মাইনিং ব্যাপারটা কিন্তু সম্পূর্ণ আলাদা এবং এ ব্যাপারে আপনার প্রচুর জ্ঞান অবশ্যই থাকতে হবে. এক্ষেত্রে আপনার একটি কম্পিউটারের প্রয়োজন হবে এবং যার প্রসেসর এবং হার্ডওয়ার অধিক উন্নতমানের এবং শক্তিশালী হওয়া জরুরী। চলুন, বিটকয়েন মাইনিং কাকে বলে, ব্যাপারটা ভালো করে জেনেনেই।

 

বিটকয়েন মাইনিং কি ?

আমরা বিটকয়েনের ব্যবহার অনলাইন পেমেন্ট বা ট্রানজেকশনের ক্ষেত্রে করি. এবং, যখন এই ধরনের বিটকয়েনের অনলাইন ট্রানজেকশন হয়ে থাকে, তখন ট্রানজেকশন গুলিকে ভেরিফাই করা হয়। যারা এই bitcoin transaction গুলিকে verify করেন, তাদেরকে বলা miners. আর, bitcoin transaction verify করার এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় বিটকয়েন মাইনিং। এই miners দের কাছে high performance থাকা কম্পিউটার সিস্টেম থাকতেই হবে। ট্রানজেকশন ভেরিফাই করার ক্ষেত্রে, তারা দেখেন যে, হয়ে যাওয়া ট্রানজেকশনটি সঠিকভাবে হয়েছে তো ? সেখানে কোনো রকমের জালি প্রক্রিয়া বা মাধ্যম ব্যবহার করা হয়নি তো ? এই ধরনে বিটকয়েন ট্রানজেকশন গুলির ভেরিফিকেশন করার ফলে বিটকয়েন মাইনার (miners) দের কিছু বিটকয়েন উপহার স্বরূপে দেওয়া হয়। এবং এভাবেই, অনেক ভালো পরিমাণের বিটকয়েন তারা আয় করে নিতে পারছেন। তাছাড়া এভাবেই নতুন নতুন বিটকয়েন মাইনিং এর মাধ্যমে মার্কেটে আসতে চলেছে। তবে বিটকয়েন মাইনার এর কাজ যেকেউ করতে পারবে। কিন্তু, যা আমি আগে বলেছি, এক্ষেত্রে আপনার একটি শক্তিশালী এবং high performance থাকা কমেন্টস কম্পিউটার সিস্টেমের প্রয়োজন হবে যেটা কেনা, সবাইর পক্ষ্যে সম্ভব না। তাহলে বুঝলেন তো, “বিটকয়েন মাইনিং কি(What Is Bitcoin Mining in Bangla).

Original article Click on the image below.

বিট কয়েন একাউন্ট ওপেন করার ১ম ধাপঃ

আপনাকে প্রথমে একটি বিটকয়েন অ্যাড্রেস তৈরি করা লাগবে। এই অ্যাড্রেস সাধারনত ৩৪ Character -এর হয়। এই কারনেই এটা এতো বেশি সিকিউর। এটা মূলত বিট কয়েন গেটওয়ে পেমেন্ট প্রসেস বলা হয়ে থাকে। অর্থাত আপনি যে কোন সাইট হতে বিট কয়েন আয় করুন না কেন, এখানে সমস্ত বিট কয়েন আয় যুক্ত হয়ে যাবে। পরবর্তীতে এখান হতে সুবিধামত উইথ ড্র করতে পারবেন।

কিভাবে একাউন্ট তৈরি করবেন:

একাউন্ট তৈরি/ওপেন করা খুব সহজ। প্রথমত আমার এই পোস্ট ভালভাবে পড়ে নিন। অতপর পোস্টের টিউটোরিয়াল অনুসরন করে বাকি কাজ করলেই হবে।

১। প্রথমে এইলিঙ্কে যান কিংবা ক্লিক করুন এখানে > এরপর নিচের মত একটা পেজ আসবে

২। এখানে Name অংশে আপনার নামের ১ম এবং শেষ অংশ দিন> Email এর বক্সে আপনার মেইল অ্যাড্রেস এবং> Password এর বক্সে আপনার পাসওয়ার্ড লিখুন> এবার সবশেষে টিক মার্ক দিয়ে Create Bit coin Wallet লিঙ্কে ক্লিক করুন।

 

৩। এরপর আপনাকে ইমেইল অ্যাড্রেস ভেরিফাই করেত বলবে। আপনার ইমেইল অ্যাড্রেসে যান এবং VERIFY MY EMAIL ADDRESS-এ ক্লিক করুন। নতুন কোন উইন্ডো ওপেন হলে ক্লোজ করে দিন। অতপর এই সাইটে পূনরায় প্রবেশ করে  লগইন করুন আপনার ইমেইল ও পাসওয়ার্ড দ্বারা (রেজি: করার সময়ে যাহা ব্যবহার করেছিলেন)। যদি লগইন করতে পারেন তাহলে বুঝবেন সঠিকভাবে একাউন্টটি ক্রিয়েট করতে পেরেছ ।

(লগইন করলে নিচের মত একটা পেজ আসবে)

৪। এখান থেকে Setting  থেকে Bit coin Addresses এর উপরে ক্লিক করলে নিচের মত একটা পেজ আসবে। এরপর Create New Address করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। নিচের মত একটা অ্যাড্রেস তৈরি হবে। এটাকে সেভ করে অথবা কপি করে রাখুন নোটপ্যাডে, পরে কাজে লাগবে মূলত বিট কয়েন সাইট হতে আয় এবং প্রতিবার লগইন করার জন্য।


৫। চাইলে একাউন্টটি আপনি ভ্যারিফাইড করে নিতে পারেন মোবাইল নং দ্বারা। এই জন্য একাউন্ট লগইন করে
Verify a Phone অপশনে ক্লিক করুন। একটি বার্তা আপনার মোবাইলে যাবে। সেখানের প্রেরিত কোডটি এখানে ইনপুট করে দিলেই হবে। এই ক্ষেত্রে কয়েন-বেজ একাউন্টের নিরাপত্তা থাকবে। অবশ্য ব্যাংক একাউন্ট ভেরিফাইড কিংবা যুক্ত করার অপশন আসবে, আপাতত এটি করার প্রয়োজন নাই।


বিট কয়েন আয়ের ২য় ধাপঃ

নিয়মাবলী:

উপরের দেখানো ১ম ধাপে তো বিট কয়েন গেটওয়ে একাউন্ট তৈরি করলেন অনেকটা পেইজার মত। এবার তো আয় করতে হবে।ফ্রিভাবে বিট কয়েন পাবার জন্য আপনাদের এমন একটি সাইটের লিংক দিব যেখানে প্রতি ঘন্টাতে বিট কয়েন পাবেন কোন রকম কাজ ছাড়াই!!

১। প্রথমে এইলিঙ্কে যান কিংবা নিচের চিত্রে ক্লিক করুন এখানে

নিচের মত একটা পেজ আসবে। উক্ত কাজ গুলো করুন তথারুপ:

·  Your Bitcoin Address – কিছুক্ষণ আগে যে বিটকয়েন অ্যাড্রেস তৈরি করলেন সেটা দিন।

·  Password For Your Account – এখানে আপনার পাসওয়ার্ড দিন।

·  Repeat Password – এখানে পুনরায় একই পাসওয়ার্ড দিন।

·  Your Email – এখানে আপনার ইমেইল দিন।

    Earnbitmoon - ultimate faucet !

ব্যাস এরপর Sign up বাটনে ক্লিক করুন। আপনার একাউন্ট হয়ে গেছে। ইমেইল ভেরিফাই করা লাগবে না।

অতপর বিট কয়েন সাইটে প্রবেশ করুন > Have Account ক্লিক করুন> এখানে কয়েনবেজ একাউন্টের ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করুন। ( কয়েনবেজ একাউন্টের ঠিকানা হচ্ছে- আপনি কয়েন বেইজ সাইটে রেজি: করার পর ৩৬ ওয়ার্ডের এলোমেলো যে লিংক পেয়েছিলেন সেটিকে বুঝাচ্ছি)

 

২। এরপর ও পরের চিত্রে ২নং চিহ্নিত অংশের ঘরগুলো পুরন করুন এবং কেপচা দিয়ে LOGIN বাটনে ক্লিককরুন। এরপর নিচের মত পেজ আসবে। এরপর ১নং চিহ্নিত অংশের কেপচা দেখে ২নংচিহ্নিত বক্স পূরণ করে ROLL!(3) -ক্লিক করুন।


৩। এরপর যদি নিচের চিত্রের মত টাইমার
(2) উঠা শুরু করে তাহলে আপনি Success।আরযদি Invalid Code লেখা আসে তাহলে আবার TRY করুন হয়ে যাবে।এভাবে প্রতি ঘণ্টায় আপনি বিটকয়েন আর্ন করতে পারবেন। আবার ১ ঘন্টা পর আসুন এবং কেপচা পূরণ করে  ROLL- ক্লিক করুন। দেখবেন একাউন্টে বিট কয়েন যোগ হয়েছে। এভাবে ১ঘণ্টা পরপর ওয়েবসাইটে যান এবং আর্ন করতে থাকুন। নিচের চিত্রে দেখুন ৩নংচিহ্নিত অংশে আমার আর্ন দেখাচ্ছে।

إرسال تعليق

Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.